রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯

ইসলাম

আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে সত্যিকারের মুমিন হওয়া যায়

সত্যিকারের মুমিন হওয়া যায় আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে। আত্মশুদ্ধির চর্চা মানুষকে মানবিক ভুলত্রুটি থেকে মুক্ত থাকতে সাহায্য করে। মানুষের মধ্যে যে হীনমন্যতা থাকে তা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার সর্বোৎকৃষ্ট পথ হলো আত্মশুদ্ধি। আল কোরআনে বান্দাকে তার নিজের প্রয়োজনে আত্মশুদ্ধির তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সূরা ফাতিরের ১৮ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘কেউ যখন আত্মশুদ্ধি করে সে তো তা করে তার নিজের জন্যই।’ আত্মশুদ্ধিকে বলা …

বিস্তারিত

নবী-রাসুল কারা, তাঁদের কাজ কী?

আল্লাহ তাআলা ফেরেশতা ও মানবকুল থেকে রাসুল মনোনীত করেন। এ ব্যাপারে ইরশাদ হয়েছে, ‘আল্লাহ ফেরেশতা ও মানবকুল থেকে রাসুল মনোনীত করে থাকেন।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৭৫) মানবজাতির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষই নবী ও রাসুল হয়ে থাকেন। নবী-রাসুলরা আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত এবং তিনি তাঁদের সব ধরনের চারিত্রিক ও মানবিক দোষত্রুটি থেকে রক্ষা করেন। আল্লাহ বলেন, ‘অবশ্যই তারা ছিল আমার মনোনীত …

বিস্তারিত

নবীজীর প্রিয় ছিল মেশক, চন্দন, জাফরান, আম্বর…

মহানবী (সা.) যে সুগন্ধি পছন্দ করতেন, তার মধ্যে অন্যতম মেশক। হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, মেশক প্রসঙ্গে রাসুল (সা.)-কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, উত্তম সুগন্ধি হলো মেশক। (তিরমিজি, হাদিস : ৯৯২) মেশককে আমাদের দেশে কস্তুরিও বলে। এটি অত্যন্ত মূল্যবান সুগন্ধি। পুরুষ হরিণের পেটে অবস্থিত সুগন্ধি গ্রন্থি নিঃসৃত সুগন্ধির নাম। মিলন ঋতুতে পুরুষ হরিণের পেটের কাছের কস্তুরি গ্রন্থি থেকে …

বিস্তারিত

সন্তানকে কী নিষেধ করেছিলেন নুহ (আ.)?

একজন মানুষ গোটা জীবনে যত কথা বলে থাকে, তার অন্তিম বা শেষ সময়ের কথাকে সব ধর্ম ও সভ্যতায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। বিশেষত, সেসব কথা যদি কোনো নবীর অন্তিম উপদেশ হয়, তাহলে তার গুরুত্ব আরো বহুগুণ বেশি। হজরত নুহ (আ.) সম্পর্কে বলা হয়ে থাকে যে তিনি আদমে সানি তথা মানবজাতির দ্বিতীয় পিতা। গোটা পৃথিবীতে তাঁর আমলে মহাপ্রলয় হয়েছিল। তখন …

বিস্তারিত

কাদের জন্য জান্নাত, কারা-ই বা যাবে?

মুসলিম বলতেই জান্নাতের আকাঙ্ক্ষী। আর প্রত্যেক মানুষ চায় দুনিয়াতে ও আখিরাতে ভালো স্থানে থাকতে। কিন্তু সবাই কি জান্নাত পাবে? সবাই কি ভালো স্থানে থাকবে? এমন প্রশ্নের জবাব খোঁজা হয়েছে পবিত্র কোরআনে। কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে স্পষ্ট বর্ণিত যে কাদের জন্য জান্নাত এবং কারা জান্নাতে যাবে। সেসব আয়াত থেকে কিছু মানুষের কথা এখানে তুলে ধরা হয়েছে। ক্ষমাপ্রার্থীদের জন্য জান্নাত যারা তাওবা করে, …

বিস্তারিত

বিয়ের উদ্দেশ্যে প্রেম করা যাবে? ইসলাম যা বলে

প্রেম মানুষের অন্তরের একটি বিশেষ অবস্থার নাম, যা কারো প্রতি আবেগ, গভীর অনুভূতির সংমিশ্রণে সৃষ্টি হয়। প্রকৃত প্রেম হলো মহান আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি প্রেম, যা ছাড়া অন্য কোনো মানুষ ঈমানদার হতে পারবে না। দুনিয়ায় কাউকে ভালোবাসলে একমাত্র আল্লাহর জন্যই ভালোবাস। মা-বাবা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তানসহ আত্মা ও রক্তের আত্মীয়দের প্রতি প্রেমও মহান আল্লাহ ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত করে দেন। রাসুল (সা.) ইরশাদ …

বিস্তারিত

‘তুমি ইসলাম গ্রহণ করলে সেটাই হবে আমার মোহরানা’

উম্মে সুলাইম বিনতে মিলহান (রা.) ছিলেন বিশিষ্ট সাহাবি আনাস বিন মালিক (রা.) এর মা। তিনি ছিলেন ইসলামের জন্য নিবেদিতপ্রাণ। তিনি তাঁর জীবন, সন্তান ও পরিবার সব কিছু আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের সেবায় নিয়োজিত করেন। উম্মে সুলাইম (রা.) এর মূল নাম কী ছিল, তা নিয়ে তিনটি মত পাওয়া যায়। তা হলো, রুমাইলা, গুমাইসা ও রুমাইসা। তাঁর প্রথম স্বামী মালিক বিন নজর …

বিস্তারিত

যাবতীয় অনিষ্ট থেকে বাঁচার দোয়া

উচ্চারণ : ‘বিসমিল্লাহিল্লাজি লা ইয়াদুররু মাআসমিহি শাইউং ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামা-ই ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম’ অর্থ : আল্লাহ তাআলার নামে যাঁর নামের বরকতে আকাশ ও মাটির কোনো কিছুই কোনো অনিষ্ট করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী। ফজিলত : হজরত ওসমান বিন আফফান (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা তিনবার এই দোয়া পড়বে, আল্লাহ তাআলা তাকে …

বিস্তারিত

ফেতনামুক্ত ঈমানি জীবন-যাপন ও মৃত্যু লাভের ৬ আমল

ঈমানি জীবন-যাপন এবং ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করা অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়। এটা সহজ কোনো কাজ নয় বরং সবচেয়ে কঠিন কাজ। ঈমানি জীবন-যাপন ও ঈমানি মৃত্যু লাভের অন্যতম উপায় হলো কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করা। যা অনেক কঠিন। চারদিকে এতবেশি ফেতনা যে, ঈমানের সঙ্গে সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা করা অনেক দুষ্কর। আবার ঈমানি জীবন-যাপন করে ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়াও অনেক …

বিস্তারিত

বোবা মানুষের নামাজ আদায়ের পদ্ধতি

বোবা মানুষেরও নামাজ পড়তে হবে। তবে কিভাবে পড়বে এ ব্যাপারে আরব বিশ্বের সর্বোচ্চ ফতোয়া কমিটিকে জিজ্ঞেস করা হলে তাঁরা উত্তরে লিখেছেন, এমন ব্যক্তি নিজ সাধ্যানুপাতে নামাজ আদায় করবে। কেননা আল্লাহ তাআলা বলেন, আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোনো কাজের ভার দেন না। অন্যত্র তিনি বলেন, আল্লাহ তোমাদের অসুবিধায় ফেলতে চান না। তিনি আরো বলেন, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান। তিনি …

বিস্তারিত