সারা বাংলা

অতি বর্ষণে পানির নিচে সবজি খামার, কৃষকের মাথায় হাত

অতি বর্ষণে পানির নিচে সবজি খামার, কৃষকের মাথায় হাত

ঢাকার ধামরাইয়ে এনজিও ব্যাংক ও মহাজনের চড়া সুদের বোঝা মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন কৃষক। অতি বর্ষণে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে কৃষি মাঠ। সঠিক পরিচর্যার অভাবে সরকার নির্মিত স্লুইস গেট গুলো অকেজো হয়ে পড়ায় কৃষি মাঠ থেকে পানি নামছে না। ফলে সবজি চাষের ভরা মৌসুমী ও সবজি খামার প্রস্তুত না হওয়ায় সবজি চাষ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষক। কারণ ভরা মৌসুমে সবজি চাষ করতে না পারলে মহাজন ও এনজিও ব্যাংকের ঋণ সময় মতো পরিশোধ করা কৃষকের পক্ষে মোটেও সম্ভব নয়। তাই কৃষক সময়মতো সবজি চাষ করতে না পারায় একদম হতাশ হয়ে পড়েছেন। অনেকেই আছেন গেল বছরের ঋণ ও পরিশোধ করতে পারেননি। এরপরও চলতি বছরের জন্য আগাম ঋণ নিয়ে ঋণের বোঝা আরো ভারী করেছেন কৃষকরা। এখন  দুচোখে পথ দেখতে পাচ্ছেন না। দেখছেন শুধু ঘোর অন্ধকার।

উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের কামারপাড়া গ্রামের সবজি চাষী মোহাম্মদ মাসুদ রানা বলেন, আমাদের নিজস্ব কোন পুঁজি নেই সবজি চাষের জন্য। কাজেই মহাজনের কাছ থেকে আগাম ঋণ গ্রহণ করে এ সবজি চাষাবাদ করে থাকি। প্রাকৃতিক বৈরিতার জন্য আজ ভরা মৌসুমেও জমি প্রস্তুত করতে পারিনি। ফলে সবজি চাষ ব্যাহত হচ্ছে। আর এ  সবজি চাষ করতে না পারলে মহাজন কিংবা এনজিও ব্যাংকের কাছ থেকে নেয়া ঋণের টাকা পরিশোধ  করতেও পারবোনা। এখন আমরা মহাবিপদে পড়েছি সবজি চাষীরা।   একই এলাকার সবজি চাষী আতা মিয়া বলেন, প্রকৃতি অনুকূলে থাকলে সবজি চাষ করে মহাজন কিংবা এনজিও ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করতে পারি আর নিজেরাও ভালোভাবে সংসার চালাতে পারি ও। এ বছর প্রকৃতির বৈরী আচরণের জন্য আমরা ভরা মৌসুমেও সবজি চাষ করতে পারছিনা। ফলে ঋণের টাকা নিয়ে যেমন চিন্তিত তেমনি পরিবার পরিজন নিয়ে বছরের খরচ মেটানোর টাকা জোগাড় করতেও চিন্তায় আছি।