মঙ্গলবার, ১ ডিসেম্বর ২০২০

১০ লাখ মানুষ যাবে মঙ্গল গ্রহে!

২০৫০ সালের মধ্যে ১০ লাখ মানুষকে মঙ্গল গ্রহে পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন স্পেস এক্সের সিইও ইলন মাস্ক।বেশ কিছু টুইট বার্তায় এ কথা জানান ইলন মাস্ক।

টুইটে মাস্ক জানান, আগামী ১০ বছরে তিনি ১ হাজার স্টারশিপ রকেট তৈরি করতে চান। পুনরায় ব্যবহারযোগ্য এ রকেটগুলো বানানো হবে সাউথ টেক্সাসে। দিনে ৩টি করে ফ্লাইট পরিচালনা করা যাবে এমন স্টারশিপ তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও জানান, সবাই যাতে মঙ্গলে ভ্রমণ করতে পারেন সেটাও নিশ্চিত করতে চান। চাইলে যে কেউ মঙ্গলে যেতে পারবে। টাকা না থাকলে ঋণও দেওয়া হবে। মঙ্গলে অনেক চাকরির বাজারও তৈরি হবে।

ইলন মাস্কের পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি স্টারশিপে ১০০ টনের বেশি পণ্য ও ১০০ মানুষ কক্ষপথে পাঠানো সম্ভব হবে। কী কী পাঠানো হবে তা ইলন মাস্ক উল্লেখ না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, খাবার, পানি, বিল্ডিং তৈরির সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও টিউব (অ্যাডভান্সড লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম) নিয়ে যাওয়ার কাজ করবে স্টারশিপগুলো।

ইলন মাস্কের মতে, গ্রহ থেকে গ্রহ ভ্রমণে প্রতি বছর কক্ষপথে কয়েক মেগাটনের পণ্য বহন করা জরুরি। প্রতি বছর মঙ্গলে ১০০ মেগাটনের পণ্য ও ১০০ মানুষ বহন করবে ১ হাজার স্টারশিপ। এভাবে ১০ বছরে ১০ লাখ মানুষ মঙ্গলে পৌঁছাতে পারবে।প্রতি ২৬ মাস পর পর পৃথিবী ও মঙ্গলগ্রহ কাছাকাছি আসে। এ সময় জ্বালানি খরচ বাঁচাতে ৩০ দিনে ১ হাজার স্টারশিপ মঙ্গলে পাঠানো হবে।

এর আগে তিনি জানান, ১ হাজার স্টারশিপ ১ বছরের মধ্যে পাঠানোর কথা বললেও ২৬ মাসে একই পরিমাণ স্টারশিপ মঙ্গলে পাঠানো হবে। যাই হোক, ১ বছর বা ২৬ মাসের মধ্যে ১ হাজার স্টারশিপ পাঠানোর সক্ষমতা অর্জন করতে স্পেস এক্সের আরও বহু বছর সময় লাগবে।

লাল গ্রহটিতে স্বনির্ভর বসতি স্থাপনে খরচ ১০০ বিলিয়ন থেকে ১০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে থাকবে বলে ধারণা প্রকাশ করেছেন মাস্ক।

আরো পড়ুন

১৮ ওয়াটের কুইক চার্জিং, এআই কোয়াড ক্যামেরা নিয়ে বাজারে রিয়েলমি সি১৫

স্মার্টফোন বাজারে এখন রিয়েলমির জয়জয়কার। আকর্ষণীয় দামে সেরা হার্ডওয়্যারের সঙ্গে অত্যাধুনিক ফিচারে রিয়েলমির স্মার্টফোনগুলো তরুণদের …