শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২
হোম » ফেসবুক থেকে » সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না: দীপু মনি,
সরকার নতুন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না: দীপু মনি,

সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না: দীপু মনি,

করোনা সংক্রমণ আবারও বাড়তে শুরু করলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছে সরকার।শনিবার রাজধানীর একটি কলেজের রজতজয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সাংবাদিকদের বলেছেন, টিকা কার্যক্রমের ওপর বেশি জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের এর আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।দীপু মনি বলেন,করোনা পরিস্থিতির কারণে গত দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল।এতে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হয়েছে।তাই সরকার আর নতুন করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে চায় না।এ কারণে শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রমের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন,১২ বছরের বেশি বয়সীদের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হলেও প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।এ কারণে তাদের নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।তিনি বলেন,নতুন করে করোনা বেড়ে গেলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শিক্ষা ব্যবস্থা।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবারও বন্ধ করে দিলে আবার কবে চালু করা সম্ভব হবে তা অনিশ্চিত।কারণে আমরা চাই ভ্যাকসিনেশনের আওতায় শিক্ষার্থীদেরকে এনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান চালিয়ে যেতে।

এদিকে,ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন,বিশ্বের অনেক দেশে ভয়াবহভাবে করোনা সংক্রামণ বাড়ছে। করোনা সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্কুল-কলেজ খোলা রয়েছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করার জন্য আপাতত কোনো পরিকল্পনা নেই।শনিবার দুপুর ১২টায় মানিকগঞ্জে দরিদ্রদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন,করোনা সংক্রামণ নিয়ন্ত্রণের জন্য যাত্রীবাহী বাস-ট্রেন-লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী বহনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মাস্ক ছাড়া বাইরে গেলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত জেল-জরিমানা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেছেন,দেশে করোনা সংক্রামণ নিয়ন্ত্রণে আছে বলেই এখনো অর্থনীতির চাকা ঘুরছে।কল-কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে।এই পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন,ওমিক্রনে যুক্তরাজ্যে এক লক্ষ ও আমেরিকাতে চার লক্ষ পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেআমাদের দেশে এই অবস্থা আমরা চাই না। আমাদের দেশকে সুরক্ষিত রাখতে চাইলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।প্রাথমিকভাবে মাস্ক আমাদের সংক্রমণ ঝুঁকি কমাবে।সংক্রমণের হার যেভাবে বাড়ছে,স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আমরা কঠোরতা অবলম্বন করব।

আরো পড়ুন

নারায়ণগঞ্জের পোশাক কারখানার আগুন,

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট।শুক্রবার …