জাতীয়লিড নিউজসর্বশেষ সংবাদ

লকডাউনে সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না: আইজিপি

লকডাউনে সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না: আইজিপি

কোভিড সংক্রমণ রোধে আগামীকাল বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন।

এই সময়ে ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবেন না কেউই। পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের এ পাস নেয়া লাগবে না।

আজ মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ‘মুভমেন্ট পাস’ উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় আইজিপি বলেন, একান্তই যাদের বাইরে যাওয়া প্রয়োজন হবে, তাদের জন্য মুভমেন্ট পাসের ব্যবস্থা করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। এক স্থান থেকে অন্যস্থানে যাতায়াতের জন্য অফিশিয়াল কিংবা জরুরি প্রয়োজনে ‘মুভমেন্ট পাস’ নেয়া লাগবে। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের এই পাস নেয়া লাগবে না।

তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (১৪ এপ্রিল) কাউকে সড়ক-রাস্তাঘাট এবং বাইরে দেখতে চাই না আমরা। বিনা প্রয়োজনে কাউকে দেখতে চাই না। আমরা চাপপ্রয়োগের চেয়ে নিজেদের উদ্যোগেই এই দায়িত্ব পালন করব। এসব না মানলে সমগ্র বাংলাদেশকে আইসোলেশনে নিতে হবে।’

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সর্বাত্মক লকডাউনে জরুরি প্রয়োজনে ঘরের বাইরে চলাচলের জন্য ১৪টি শ্রেণিতে ‘মুভমেন্ট পাস’ দেবে পুলিশ।

মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচা বাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি বা খুচরা ক্রয়, পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ইত্যাদি ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে এই ‘মুভমেন্ট পাস’।

এর বাইরে যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু কোনো ক্যাটাগরির সঙ্গে মিল নেই, তাদের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পাস দেয়ার বিষয়ে বিবেচনা করা হবে বলেও পুলিশ সদরদপ্তর থেকে জানা যায়।

যেভাবে পাওয়া যাবে ‘মুভমেন্ট পাস’:

movementpass.police.gov.bd এর ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পাস সংগ্রহ করতে পারবেন যে কেউ। তবে প্রতিটি পাস একবারই ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ যাওয়া-আসার জন্য আলাদা আলাদা পাস সংগ্রহ করতে হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, যার জন্য পাসটি দরকার সেই ব্যক্তির নাম, মোবাইল ফোন নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র বা ড্রাইভিং লাইসেন্স, যে স্থানে যাচ্ছেন সে জায়গার নাম, যেখান থেকে যাবেন সেই স্থানের নাম ও যাত্রার কারণ ইত্যাদি তথ্য পূরণ করে উল্লেখিত লিংকে আবেদনের পর পুলিশ অনলাইনে কিউআর কোড স্ক্যানারসহ একটি পাস ইস্যু করবে। এই কোডটি স্ক্যান করেই চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তারা আবেদনকারীর তথ্য ও যাত্রার কারণ নিশ্চিত করবেন।