বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২
হোম » ফেসবুক থেকে » রাবি এক ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে রাবি প্রশাসন,
রাবি এক ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে রাবি প্রশাসন,
রাবি এক ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে রাবি প্রশাসন,

রাবি এক ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে রাবি প্রশাসন,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অসদাচরণের অভিযোগে এক ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে রাবি প্রশাসন। গত ৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দফতর থেকে পাঠানো এক চিঠিতে ওই ছাত্রীকে তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়।তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রীর দাবি বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেওয়ার সময় প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে উল্টো তাদের হেনস্তা’ করাসহ দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে- গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজ উদ্দীন কলা ভবনের আমবাগানের অন্ধকার জায়গায় অভিযুক্ত ছাত্রী সাত ছেলে ও এক মেয়ের সঙ্গে বসেছিলেন। সে সময় প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা পরিচয় জানতে চাইলে ওই ছাত্রী তাদের সঙ্গে তর্ক জুড়ে দেন ও অসদাচরণ করেন।এ সময় তিনি সহকারী প্রক্টরবৃন্দকে বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মানব না। আমি নিজের মতো চলব। আপনারা যা পারেন তা করেন।’

ওই ছাত্রীর এই বক্তব্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালার শৃঙ্খলা পরিপন্থি উল্লেখ করে চিঠিতে আরও বলা হয়- এটি প্রচলিত নিয়মের লঙ্ঘন ও দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিন দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় একতরফাভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রী বলেন, সেদিন আমি, আমার সঙ্গে কিছু জুনিয়র এবং আমার কয়েকজন বন্ধু মমতাজ উদ্দীন কলা ভবনে যাওয়ার রাস্তার মুখে সড়ক বাতির নিচে থাকা সিমেন্টের বেঞ্চে বসেছিলাম।

সেখানে আমরা সবাই মিলে গান করছিলাম। এ সময় সেখানে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা এসে আমাদের পরিচয়পত্র দেখতে চান। তখন আমরা তাদের পরিচয়পত্র দেখাই। পরে তারা আমাদের সেখান থেকে উঠে যেতে বলেন।তখন আমরা গান করে উঠে যাব বলে তাদের জানাই। এ কথা বলার পরে তারা আমাদের তখনই উঠে যেতে বলেন।

তিনি বলেন, আমরা তখন সহকারী প্রক্টরদের বলি আমরা তো এখানে খারাপ কিছু করছি না। এটা শোনার পর তারা রেগে যায় এবং চিল্লাচিল্লি’শুরু করে দেয়। তারা বলে ‘রাত ৮টা কি গান করার সময়,এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের গান করার সময়। এসব বলে তারা ধমকানো’শুরু করে এবং আমার পরিচয়পত্র নিতে চায়। কিন্তু আমি পরিচয় পত্র না দিয়ে আমার রোল নম্বর তাদের জানাই। এ সময় একজন সহকারী প্রক্টর আমাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়ে চলে যান। তারা আমাদের ‘ধমকের’ সঙ্গে যা ইচ্ছে তাই বলে ‘হেনস্তা’করে। পরে আমরা সেখান থেকে চলে যাই।জানা গেছে,ওই দিন প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের মধ্যে টহলে অংশ নেন সহকারী প্রক্টর পুরনজিৎ মহলদার আব্দুল্লাহ আল মামুন,শাহনেওয়াজ পারভেজ ও হাকিমুল হক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর হাকিমুল হক বলেন, আমরা যখন তাদের কাছে যাই তখন রাত পৌনে ১১টা বাজে। তখন দুইজন মেয়েসহ কয়েকজন ছেলে গান গাইছিল।সে সময় আমাদের মধ্যে একজন সহকারী প্রক্টর গিয়ে তাদের হলে ফিরে যেতে বলেন।তখন সেই মেয়েটি বলেন আমার একটা লাইফ আছে। আমার স্বাধীনতা আছে। আমার লাইফ আমি ইনজয় করব। এরপর তার পরিচয়পত্র চাওয়া হয়।কিন্তু সে না দিয়ে রোল নম্বর দেন আমাদের। ওই মেয়ের সঙ্গে থাকা এক ছেলেও আমাদের সঙ্গে বেয়াদবি করে। সে পরিচয়পত্র না দেখিয়ে আমাদের হল কার্ড দেখায়।

তিনি বলেন,আমরা সেই মেয়েটাকে যেই প্রশ্নগুলো করেছি তার প্রত্যেকটির উত্তর ছিল নেগেটিভ এবং ভয়ঙ্কর’। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো নিয়ম-কানুন মানেন না।তার কথাবার্তা এবং আচরণ ছিল আক্রমণাত্মক।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন,আমার কয়েকজন সহকারী প্রক্টর সেদিন রাতে তাদের দায়িত্ব পালন করছিল। এসময় এক ছাত্রী তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।

আরো পড়ুন

অজুর দোয়ায় জান্নাতের ৮টি দরজা খোলে,

অজুর দোয়ায় জান্নাতের ৮টি দরজা খোলে,

অজুর শেষে এই দোয়া পাঠকারীর জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেওয়া হয়। যে দরজা দিয়ে …