বুধবার, ৫ অক্টোবর ২০২২
হোম » ইসলাম » মানুষকে কষ্ট দেওয়া নিন্দনীয় আচরণ,
মানুষকে কষ্ট দেওয়া নিন্দনীয় আচরণ,
মানুষকে কষ্ট দেওয়া নিন্দনীয় আচরণ,

মানুষকে কষ্ট দেওয়া নিন্দনীয় আচরণ,

মানুষকে কষ্ট দেওয়া নিন্দনীয় আচরণ। কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, যারা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের কষ্ট দেয়,তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। -সুরা আহজাব : ৫৮

আল্লাহতায়ালা আরও বলেন,যে ব্যক্তি ভুল কিংবা গোনাহ করে, অতঃপর কোনো নিরপরাধের ওপর অপবাদ আরোপ করে,সে নিজের মাথায় বহন করে জঘন্য মিথ্যা ও প্রকাশ্য গোনাহ। -সুরা নিসা : ১১২

হাদিসে হজরত রাসুলুল্লাহ [সা.] সুস্পষ্টভাবে এসব আয়াতের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরছেন। অন্যদের কষ্ট দেওয়া, নির্যাতন করা, তাদের প্রতি বৈরিতা প্রদর্শন ও তাদের ক্ষতির ক্ষেত্রে রাসুলের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি ও শক্ত নিষেধাজ্ঞার বিবরণ ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে হজরত রাসুলুল্লাহ [সা.] বলেছেন, ‘মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার প্রতি অবিচার করবে না,তাকে অবজ্ঞা করবে না, তাকে অসহযোগিতা করবে না। সহিহ মুসলিম
কাউকে কষ্ট দিলে যে দোয়া করতে হয় তা নিম্নে দেওয়া হলো-

আবু হুরায়রা [রা.] বলেন, রাসুল (সা.] এই দোয়া করেছেন। (মুসলিম, হাদিস : ৬৫১০]

দোয়া : আল্লাহুম্মা ইন্নামা আনা বাশারুন, ফা-আইয়ুমা রজুলিম মিনাল মুসলিমিনা সাবাবতুহু আও লাআনতুহু আও জালাদতুহু ফাজআলহা লাহু জাকাতান ওয়া রহমাহ।

বাংলা অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি তো একজন মানুষ। সুতরাং আমি কোনো মুসলিমকে গাল-মন্দ করলে কিংবা তাকে অভিশাপ করলে অথবা আঘাত করলে তখন তুমি তার জন্য তা পবিত্রতা ও রহমত অর্জনের উপায় বানিয়ে দিয়ো।

আরো পড়ুন

অজুর দোয়ায় জান্নাতের ৮টি দরজা খোলে,

অজুর দোয়ায় জান্নাতের ৮টি দরজা খোলে,

অজুর শেষে এই দোয়া পাঠকারীর জন্য জান্নাতের আটটি দরজাই খুলে দেওয়া হয়। যে দরজা দিয়ে …