বুধবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২১
হোম » অর্থ ও বাণিজ্য » প্রণোদনার ক্ষুদ্রঋণ বিতরণে গতি নেই

প্রণোদনার ক্ষুদ্রঋণ বিতরণে গতি নেই

করোনাভাইরাসের ক্ষতি মোকাবেলায় কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে (সিএমএসএমই) সরকারঘোষিত ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিলের ঋণ বিতরণে গতি আনতে অনুৎপাদনশীল ব্যবসা উপখাতে ঋণ বিতরণের সীমা আবার বাড়াল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে সিএমএসএমইর ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক ঋণের আনুপাতিক হার হবে ৩৫ শতাংশ। এক মাস আগেই এ হার ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রগ্রামস বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এর ফলে ব্যবসা উপখাতে আগের চেয়ে বেশি প্রণোদনার ঋণ বিতরণের সুযোগ পাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, গত ১৩ এপ্রিল সিএমএসএমই তহবিলের নীতিমালা জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়, অধিকসংখ্যক জনবল নিয়োজিত থাকায় সিএমএসএমইর উৎপাদন ও সেবা—এ দুই উপখাতে প্রাধান্য দিয়ে মাইক্রো ও ক্ষুদ্র শিল্পে ব্যবসা উপখাতকেও প্রণোদনা প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সেই সঙ্গে উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক ঋণ বিনিয়োগের আনুপাতিক হার যথাক্রমে ৫০, ৩০ ও ২০ শতাংশে নির্ধারণ করা হয়। গত ৩১ আগস্ট আরেক সার্কুলারের মাধ্যমে উৎপাদন ও সেবা খাতে বাৎসরিক ঋণের আনুপাতিক হার যথাক্রমে ৫০ ও ৩০ শতাংশের পরিবর্তে সামগ্রিকভারে ৮০ শতাংশে পুনর্বিন্যাস করা হয়। এরপর গত ২৮ অক্টোবর আরেক সার্কুলারের মাধ্যমে ব্যবসা উপখাতে ৩০ শতাংশ এবং উৎপাদন ও সেবা খাতে বাৎসরিক ঋণের আনুপাতিক হার সামগ্রিকভাবে ৭০ শতাংশে পুনর্বিন্যাস করা হয়।

এসব সার্কুলারের উদ্ধৃতি দিয়ে নতুন সার্কুলারে বলা হয়, বিদ্যমান তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনায় দেখা যায়, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণের বড় অংশ ব্যবসা খাতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এই খাতে বিনিয়োগের আনুপাতিক হার বৃদ্ধি করা হলে আরো অধিকসংখ্যক ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহককে প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় অন্তর্ভুক্ত সহজ হবে। তা ছাড়া এ বিষয়টিও পরিলক্ষিত হচ্ছে, আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় কিছু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ বিতরণ কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছতে সক্ষম হয়নি। এ পরেপ্রেক্ষিতে ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক ঋণের আনুপাতিক হার ৩০ শতাংশের পরিবর্তে সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলো। তবে তহবিলের আওতায় ব্যবসা উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বাৎসরিক ঋণ বিনিয়োগের ৩০ শতাংশের বেশি হলে (যা কোনোভাবেই ৩০ শতাংশের অধিক হতে পারবে না) সমানুপাতিক হারে উৎপাদন ও সেবা উপখাতে ঋণের অনুপাত হ্রাস পাবে। তবে উৎপাদন ও সেবা উপখাতে সামগ্রিক ঋণের অনুপাত ৬৫ শতাংশের কম হবে না

আরো পড়ুন

পুঁজিবাজার নিয়ে সেই পুরনো ভয়

পুঁজিবাজার নিয়ে সেই পুরনো ভয়

দীর্ঘদিনের মন্দাভাব কাটিয়ে চাঙ্গাভাব ফিরলেও পুঁজিবাজার নিয়ে আবার ভয় ধরতে শুরু করেছে বিশেষজ্ঞসহ অনেক বিনিয়োগকারীর …