সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১
হোম » খেলা » ক্ষুধার্ত তরুণদের নিয়েই আশা সিমন্সের
ক্ষুধার্ত তরুণদের নিয়েই আশা সিমন্সের

ক্ষুধার্ত তরুণদের নিয়েই আশা সিমন্সের

করোনাভীতি জয় করতে পারেননি বলে বেশির ভাগ অভিজ্ঞ ক্রিকেটারই আসেননি এই সফরে। তাই তাঁদের শূন্যতা পূরণ করতে হয়েছে এক ঝাঁক তরুণ ক্রিকেটার দিয়ে। তবু নিজের দলকে বেশ অভিজ্ঞ বলে দাবি করতে পারছেন ফিল সিমন্স। গত সন্ধ্যায় এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের হেড কোচের দাবির সঙ্গে অবশ্য দ্বিমত করার কোনো সুযোগও নেই। আসলেই তো একটি জায়গায় অন্তত বাংলাদেশের চেয়ে বেশ এগিয়ে ক্যারিবীয়রা, ‘জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার দিক থেকে আমরা এখন বিশ্বের সবচেয়ে অভিজ্ঞ দলগুলোর একটি।’

করোনা বিরতির পর ক্রিকেট শুরুই হয়েছিল ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে। এরপর নিউজিল্যান্ডও সফর করেছে তারা। এবার যখন বাংলাদেশে, তখন স্বাগতিকরা সবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার অপেক্ষায়। বায়ো বাবল বা জৈব সুরক্ষা বলয়ে তাই বেশি অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে ক্যারিবীয়রা। যদিও সে জন্য নিজেদের ফেভারিট ঘোষণা করে দিচ্ছেন না সিমন্স। সাবেক এই ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার বরং বাংলাদেশকেই নিরঙ্কুশ ফেভারিট বলে মেনে নিচ্ছেন, ‘বাংলাদেশ পরিষ্কার ফেভারিট। কারণ ওরা খেলছে নিজেদের মাঠে। এটি নিয়ে তর্ক করার অবকাশ দেখছি না।’

তাই বলে সিরিজ শুরুর আগে হাল ছেড়ে বসেও থাকছেন না। বিচ্যুত হচ্ছেন না জেতার লক্ষ্য থেকেও। দলের তরুণ ক্রিকেটারদের ভেতরের আগুন উসকে দিয়েই সাফল্য বের করার রাস্তায় হাঁটতে চাইছেন সিমন্স। বিশেষ করে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি জিততে তাঁকে বেশ মরিয়াই মনে হলো, ‘আমরা ক্যারিবিয়ান ছেড়েছি ওয়ানডে সিরিজ জেতার লক্ষ্য নিয়ে। এখন আপনি বলতে পারেন যে আমরা তো পুরো দল নিয়ে আসিনি। কিন্তু আমি বলছি, আমরা এখানে তেমন একটি দল নিয়ে এসেছি, যারা জেতার জন্য ক্ষুধার্ত। খেলতে এবং ভালো করতে ওরা উদগ্রীব। এই কন্ডিশনে লড়তেও প্রস্তুত।’

২০ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া ওয়ানডে সিরিজ দিয়ে অন্য আরেক পরীক্ষায়ও বসছে দুই দল। সেরা আট দলের একটি হিসেবে সরাসরি ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার ছাড়পত্র পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এই সিরিজ থেকে। সে প্রসঙ্গ উঠতেই যা বললেন সিমন্স, তাতে মনে হওয়া স্বাভাবিক যে দলের অন্দরে তরুণদের ভেতরের আগুন জ্বালিয়ে দিতেও বেশ তৎপর তিনি, ‘হ্যাঁ, ওটার শুরু (বিশ্বকাপ বাছাই)। আমি ছেলেদের এই বার্তাই দিয়েছি যে তোমরা কেউ এখানে অন্য কারো জায়গা ভরাতে আসোনি। তোমরা এসেছ নিজের জন্য সুযোগ তৈরি করতে। দলে নিজের জায়গা পাকা করার দারুণ সুযোগ এটি। যদি তুমি এখানে ভালো করো, তাহলে সেটি তোমার সামনে এগিয়ে যাওয়া নিশ্চিত করবে। এখানে তিন ওয়ানডে ও দুই টেস্টে তুমি ভালো করে নিজেকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে পারো, যেখান থেকে কেউ তোমাকে সরাতে পারবে না। এখন সুযোগ তোমার সামনে।’ সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদ উল্লাহদের নিয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতার পাল্লা ভারী বলে মানলেও বলে রাখতে ভুললেন না এই কথাও, ‘কখনো কখনো অভিজ্ঞতা অনেক বড় ভূমিকা রাখে ঠিকই। তবে জেতার ক্ষুধা ও উৎসাহ কখনো কখনো সেই অভিজ্ঞতাকেও ছাপিয়ে যায়।

আরো পড়ুন

টি-স্পোর্টসে আজকের খেলা

টি-স্পোর্টসে আজকের খেলা

বাংলাদেশের প্রথম স্পোর্টস চ্যানেল টি-স্পোর্টস। দেশের খেলাধুলার পাশাপাশি এই চ্যানেল সার্বক্ষণিকভাবে সম্প্রচার করে চলেছে বিভিন্ন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

+ 79 = 80