শুক্রবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২২
হোম » খেলা » এবাদত ম্যাজিকে বাংলাদেশের জয়েমৌলভীবাজারের বড়লেখাগ্রামে বইছে খুশির হাওয়া,
এবাদত ম্যাজিকে বাংলাদেশের জয়েমৌলভীবাজারের বড়লেখাগ্রামে বইছে খুশির হাওয়া,

এবাদত ম্যাজিকে বাংলাদেশের জয়েমৌলভীবাজারের বড়লেখাগ্রামে বইছে খুশির হাওয়া,

এবাদত ম্যাজিকে বাংলাদেশের জয়ে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ উত্তর ইউপির কাঁঠালতলী গ্রামে বইছে খুশির হাওয়া। এবাদতের এমন পারফরম্যান্সে পরিবারের পাশাপাশি গ্রামের মানুষও ভীষণ খুশি স্বপ্ন ছিল একদিন জাতীয় দলের হয়ে ক্রিকেট খেলে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন,তাই।নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয়ের মূল নায়ক এখন এবাদত হোসেন চৌধুরী।তিনি সবার প্রসংশায় ভাসছেন।

এবাদত হোসেন চৌধুরীর বাবা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী ও মা সামিয়া বেগম চৌধুরী বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই খেলার প্রতি তার আলাদা টান ছিল। সারাদিন ক্রিকেট খেলতো। তার স্বপ্ন ছিল কোনও একদিন জাতীয় দলের হয়ে খেলবে।আমার ছেলের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশকে জিতিয়ে সে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে।আমাদের ছেলের এমন পারফরম্যান্সে আমরা খুব খুশি।এলাকার মানুষও খুশি।তার সব খেলা দেখেছি। নামাজ পড়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য দোয়া করেছি।সকালে এবাদতের সঙ্গে আমাদের মোবাইলফোনে কথা হয়েছে।সে খুব খুশি।

এবাদতের চাচাতো ভাই দেলওয়ার হোসেন চৌধুরী ইমন বলেন,নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ে সারা বাংলাদেশের মতো আমরাও গর্বিত,আনন্দিত।আমার ছোটভাই এবাদত হোসেন চৌধুরী ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি অনুরাগী।আমাদের বিশ্বাস ছিল সে একদিন দেশের মুখ আলোকিত করবে।আজ সে সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে।এবাদতের সহপাঠী আমজাদ হোসেন পাপলু ও এমদাদুর রাজ্জাক রাব্বি বলেন,নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সে যে চমক দেখিয়েছে তাতে আমরা খুশি।এলাকার মানুষ ভীষণ খুশি।

তার জন্য আজ বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে।এলাকার সবাই তাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে শুভ কামনা জানিয়েছেএবাদত হোসেন চৌধুরীর বাবা নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বর্ডার গার্ডে বিজিবি চাকরি করতেন।আর মা সামিয়া বেগম চৌধুরী পেশায় গৃহিনী।ছয় ভাই-বোনের মধ্যে এবাদত হোসেন চৌধুরী দ্বিতীয়।থেকেই ক্রিকেট খেলার প্রতি তার আলাদা টান ছিল।

স্থানীয় বিভিন্ন ক্রিকেট ক্লাবে খেলেছেন এবাদত।ভালো বোলিং করতেন বলে এলাকার বাইরেও তার নামডাক ছড়িয়ে পড়ে।এসএসসি পাশ করে ২০০৮ সালে সৈনিক পদে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে যোগ দেন।সেখানেই চাকরির পাশাপাশি বিমান বাহিনীতে নিয়মিত ভলিবল খেলতে শুরু করেন।কিন্তু ক্রিকেটের প্রতি তার টান মোটেও কমেনি।২০১৬ সালে রবি পেসার হান্টের শেষ রাউন্ডে ১৩৯.০৯ কিলোমিটার গতিতে বল করে সবাইকে চমকে দেন এবাদত।এরপর থেকে এবাদতকে আর পেছনে থাকাতে হয়নি।

 দেশের বাইরে ইতিহাস গড়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এ এক ঐতিহাসিক জয়।নিজ নির্বাচনি এলাকা বড়লেখার কৃতি ক্রিকেটার এবাদত হোসেন চৌধুরীকে ম্যাচ সেরা উইনিং পারফরম্যান্সের জন্য বিশেষভাবে অভিনন্দন এদিকে নিউজিল্যান্ডের এবাদতের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে পরিবেশমন্ত্রী মো.শাহাব উদ্দিন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন

নারায়ণগঞ্জের পোশাক কারখানার আগুন,

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট।শুক্রবার …