শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১
হোম » ভারত প্রসঙ্গ » উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ ধসের ঘটনায় এখনও নিখোঁজ ১৯৭
উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ ধসের ঘটনায় এখনও নিখোঁজ ১৯৭

উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ ধসের ঘটনায় এখনও নিখোঁজ ১৯৭

ভারতের উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ ধসের ঘটনায় এখনও নিখোঁজ ১৯৭ জন। মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনী, আইটিবিপি, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনীর প্রায় ৬০০ উদ্ধারকারী উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন। ভারতের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে এসব তথ্য জানা গেছে।

দেশটির জনপ্রিয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার পর প্রায় ৬০ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গের ভেতরে ঢুকতেই সমস্যা হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। সুড়ঙ্গের মুখ কাদা, পাথরে আটকে গিয়েছিল। উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের বরাতে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, সুড়ঙ্গের ভেতরে বড় বড় পাথর আটকে থাকায় সেগুলো পরিষ্কার করে ভেতরের দিকে ঢুকতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

জানা গেছে, সুড়ঙ্গের ১২-১৫ ফুট অংশ ইংরাজি অক্ষরের ‘ইউ’-এর মতো। এই বাঁক থাকায় এবং সুড়ঙ্গে প্রবেশের একটাই মাত্র পথ থাকায় সমস্যাটা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ফলে ভেতরে কেউ আটকে আছেন কি না তা চিহ্নিত করতে সমস্যা হচ্ছে উদ্ধারকারীদের।

দেশটির সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে আইটিবিপি-র মুখপাত্র বিবেক কুমার পাণ্ডে জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভেতরে রাতভর কাদা এবং পাথর সরানোর কাজ হয়েছে। প্রবেশমুখ থেকে ১২০ মিটার পথ পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। সুড়ঙ্গের প্রায় ছাদ পর্যন্ত ঠেকে যাওয়া কাদা, পাথরের স্তূপের উচ্চতা কমে এসেছে। খুব শিগগিরই আইটিবিপি-র সদস্যরা ভেতরে ঢুকতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এই কাজ করতে যে যথেষ্ট সমস্যার মুখে পড়তে হবে সেই আশঙ্কাও করেছেন তিনি।

দেশটির রাজ্য বিপর্যয় মোকাবেলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভেতরে যে পরিমাণ কাদা এবং পাথর জমে গেছে তা পরিষ্কার করতে গিয়ে উদ্ধারকাজের গতি মন্থর হয়ে যাচ্ছে। তবে দ্রুত ভেতরে ঢোকার চেষ্টা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অন্য দিকে, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া গ্রামগুলোতে খাবার, পানি এবং ওষুধ পৌঁছে দেওয়া শুরু করেছে সেনা, আইটিবিপি-র সদস্যরা। রবিবারের এই বিপর্যয়ের কারণে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে রেনি, পাং, লতা, সুরাইথোটা, সুকি, ভালগাঁও, তোলমা, ফাগরাসু, গহর, লং সেগদি, ভাঙ্গুল, জুগারওয়ার এবং জুগজু গ্রাম। মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিংহ রাওয়ত বলেন, আইটিবিপি-র সদস্যরা পথে ৫-৬ কিলোমিটার হেঁটে গ্রামে খাবার, ওষুধ এবং পানীয় পৌঁছে দিয়ে আসছেন।

কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবারই দেহরাদূনের ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অব হিমালয়ান জিওলজি (ডব্লিউআইএইচজি) থেকে বিজ্ঞানীদের দু’টি দল চামোলিতে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার।

আরো পড়ুন

করোনাভাইরাস: বাংলাদেশের ইতিহাসে একদিনে মৃত্যুর নতুন রেকর্ড ১০২

টানা তৃতীয় দিনের মতো করোনা সংক্রমণে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর দিয়েছে সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। রোববার …